Publisher is the useful and powerful WordPress Newspaper , Magazine and Blog theme with great attention to details, incredible features...

নোয়াখালীতে ইউনিয়ন চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগ সভাপতি হাজী মহিন উদ্দিনের মৃত্যুর রহস্য….

0 232
নোয়াখালীতে বেগমগঞ্জ থানাধীন ০৫ নং ছয়ানী ইউনিয়ন চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগ সভাপতি হাজী মহিন উদ্দিনের মৃত্যুর রহস্য…….
 
নোয়াখালী বেগমগঞ্জ থানাধীন ০৫ নং ছয়ানী বড়মেহেদী পুরের মুক্তারাণীদে’র অভিযোগ তার স্বামী বিষ্ঞু চন্দ্র দে গাঁজুড়ী/ মাদক সেবি। স্বামী আগে তার থেকে ৩’লক্ষ টাকা যৌতুক নিয়েছে এবং আরো টাকার জন্য তার মা সহ নিত্যই শাররীক ও মানুষিক নির্যাতন করে।
এই সমস্যা দীর্ঘ দিনের। স্থানীয় মেম্বার ক্যাপে বেলাল বাড়ীতে গিয়ে একাধীক’বার সমস্যা সমাধানের চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়।মৃত চেয়াম্যান সাহেবের পাশ্ববর্তী বাড়ী হওয়ায বিষয়টা তিনি পূর্ব থেকে জ্ঞাত ছিলেন। মেম্বারের পরামর্শ গতকাল মুক্তা রানী স্বশরীরে ইউনিয়ন পরিষদে এসে স্বামীর বিরুদ্ধে নালিশ করে।
 
সকাল ১০.০০’টায় চেয়ারম্যান স্বামী বিষ্ঞুকে ডেকে এনে উপস্থিত মান্য’গন্য ব্যক্তিদের নিয়ে শালিশের ব্যবস্থা করেন। বাদীনি অভিযোগ উপস্থাপনের সময় সেখানে উপস্থিত হয় স্থানীয় প্রভাবশালী নেতা বেল্লাল বাহিনীর অন্যতম ক্যাডার ও যুবলীগ’নেতা আলাউদ্দীন (দয়াল)।
 
( জানা গেছে বেল্লাল জেলা আওয়ামীলীগ এর সহ-সভাপতি মিনহাজ আহমেদ জাবেদ এর লোক,আর চেয়ারম্যান সাহেব হলেন বর্তমান নোয়াখালী ৩ এর সংসদ সদস্য মামুনুর রশিদ কিরন এর লোক।
দীর্ঘদিন দরে বেল্লাল ছয়ানীতে নানা অনৈতিক অসামাজিক কার্যালাপ এবং সন্ত্রাসী কার্যক্রম করায় চেয়ারম্যান সাহেব বাধা প্রদান করে.
এর পর থেকে বেল্লাল এবং চেয়ারম্যান সাহেবের সাথে কোন্দল চলছে এবং এর আগেও বেল্লাল বাহিনী চেয়ারম্যান সাহেবকে প্রাণনাশের হুমকি দেয় )
দয়াল চেয়াম্যান বা উপস্থিত সভাসদের কোনরূপ সম্মান/গুরুত্ব না দিয়ে দয়াল বাদি’নিকে গালি’গালাজ শুরু করে। উপস্থিত সবায় খুবই ভদ্রতা ও শান্ত ভাবে তাকে থামাতে চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়।
 
এক প্রর্য্যায়ে দয়াল মুক্তা রাণীর তল’পেট ভরা’ভার লাথি মারার জন্য পা হাকাতে থাকে। চেয়াম্যান সাহেব অনাধীকার ও অন্যায় আচরনের জন্য দায়ল’কে নিষেধ করে ব্যর্থ হন। এক প্রর্যায় তাকে পরিষদ থেকে বাহির হয়ে যাওয়ার নিদের্দশ দিলে, দয়াল মারাত্মক উগ্র হয়ে উঠে। সে চেয়ারম্যান’কে অকথ্য’ভাষায় গালাগাল করে এবং পরিষদের বাহিরে এসে পা চালিয়ে আঁক (দাগ) দিয়ে চেয়াম্যানের শেষ সীমানা নির্ধারন করে দেয়। চলে যাওয়ার সময় উচ্চ’স্বরে ঘোষণা করে যায় যে, এই সীমানার উত্তর (বাজার/জেলাশহর) দিক হারাম করে দিলাম।
তার উগ্রতা/ শোর চিৎকারে বহু মানুষের উপস্থিতি হয় এতে চেয়াম্যান সাহেব অপমান/ মানষিক ভাবে ভেঙ্গে পড়েন। তাকে বেশ ক্রান্ত এবং অসুস্থ্য পরিলক্ষিত হলে ডাক্তার ডাকা হয়। তাঁর রক্তচাপ অতি উচ্চ মাত্রা দেখে স্থানীয় ডাক্তার দ্রুত মাইজদী যাওয়ার পরামর্শ দেন।
 
বেলা ১১.০০’টায় সিএনজি যোগে চেয়ারম্যন চিকিৎসার জন্য জেলা শহরের উদ্দেশ্যে রওয়ানা দেন। বাজারের শেষাংশে (নামাজের চটান) উনার গাড়ী আটকে দেয়া হয়। এখানে চেয়ারম্যানের সাথে থাকা সবুজ নামের এক জনের সাথে আটক কারীদের হাতা-হাতি হয়। প্রায় ১৫’মিনিট বিবাদের পর বাজার ব্যবসায়ী ও সাধারন মানুষের সহযোগিতায় আটক’কারীরা ব্যর্থ হয়, গাড়ি ছেড়ে দিতে বাধ্য হয়।
 
এবার বাজারের একদম শেষ’প্রান্তে সিএনজি ইষ্টিশনে আবারো উনার গাড়ী আটক করা হয়। এখানে চেয়াম্যান সাহেব গাড়ী থেকে নেমে আটক কারীদের অনেক অনুনয়-বিনয় করেন। প্রত্যক্ষদর্শী অনেক মানুষ বলেছেন চেয়াম্যন সাহেব জীবনের আশংকা মনে করে, সন্ধ্যায় ফিরে এসে তাদের সকল দাবী-দাওয়া মেনে নেয়ার প্রকাশ্য প্রতিশ্রুতি দেন। কিন্তু কোন ভাবেই তাদের হেনস্তা/অপমান অপদস্ত থেকে নিজকে রক্ষা/মুক্ত করতে পারেননি।
 
পরিষদ থেকে মেম্বার (নেজাম, সাবউদ্দি) সহ অনেক মানুষ গিয়েও চেয়াম্যানের গাড়ী অবমুক্ত করতে পারেনি। ০.৪৫ সময় ধরে সিএনজি ইস্টিশনে আটক/ অপমান’অপধস্ত/ ক্রান্তিতে তার হ্দদ’ক্রিয়া নিস্তেজ হতে শুরু করে। অবস্থা বেগতিক দেখে আটক’কারীরা তার গাড়ী ছেড়ে দেয়। চেয়াম্যানে সঙ্গিরা বলেছে, মেডিক্যালে পৌঁছার মাত্র ২/৩ মিনিট আগে তিনি সম্পূর্ণ নিস্তেজ হয়ে যান। ১২.৪৫ মিনিটে মর্ডান হাসপাতালে পৌঁছলে কর্তব্যরত ডাক্তার তাঁকে মৃত ঘোষনা করেন।
Comments
Loading...